সর্বোচ্চ শাস্তি

0
24

মাহফুজুর রহমান খান

ধর্ষণ আমাদের সমাজে এক মারাত্মক আতঙ্ক। যারা নিয়মিত পত্রিকা পড়ে তাদের কাছে ধর্ষণ শব্দটা বেশি পরিচিত। এমনকি ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরাও ধর্ষণ শব্দটির সঙ্গে পরিচিত। বর্তমানে পত্রিকা হাতে নিলে প্রথমে নজরে পড়ে ধর্ষণের লোমহর্ষক কাহিনী। পত্রিকার পাতায় এমন কোনো দিন বাদ নেই যে ধর্ষণের খবর আসে না। পত্রিকার খবর ছাড়াও দেশের আনাচে কানাচে কত নারী যে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তার কোনো হিসাব নেই। দেশের কোথাও না কোথাও ৩ বছরের কন্যাশিশু থেকে শুরু করে ৭০ বছরের বৃদ্ধা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। ধর্ষণের নেশায় কিছু মানুষরূপী নরপশু এসব নিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে, যা ভাষায় প্রকাশ করা দুষ্কর। বর্তমানে এসব মানুষরূপী নরপশুর হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুকন্যা, বৃদ্ধা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। পত্রিকা খুললেই দেখতে পাই, খুন ও ধর্ষণ। সমাজে আধিপত্যেরর বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন খারাবি হয়ে থাকে। যে সমাজে মানুষ সবাই মিলেমিশে একসঙ্গে বসবাস করে। সেই সমাজে খুন খারাবি কেন? মানুষ আইন মান্য করে শাস্তির ভয়ে। বাংলাদেশে খুনের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো মৃত্যুদ- বা যাবজ্জীবন আর ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন। যারা সমাজে এ ধরনের অপকর্মগুলো করে থাকে, তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচারের মুখোমুখি করে উপযুক্ত বিচার করতে হবে। আর উপযুক্ত বিচার হলেই পরবর্তীতে আর কোনো মানুষ এসব অপকর্মের সঙ্গে লিপ্ত হবে না। অপরাধীদের শাস্তিটা হতে চাই সর্বোচ্চ। অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তি হলেই, সমাজে অপরাধীর সংখ্যা হয়তো দিন দিন কমে আসবে। বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে অপরাধমুক্ত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। দেশের মানুষ শান্তিতে থাকতে পারবে।